চাকরির খবর মাধ্যমিক সাজেশন ২০২৬New জেলার চাকরি রেজাল্ট স্কলারশিপ সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন সিলেবাস পরীক্ষার তারিখ
Focus

চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকারা, নির্দেশ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে প্রাথমিকের শিক্ষকপদ থেকে বরখাস্ত হওয়া ২৬৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এদিন ফের পুনর্বহালের নির্দেশ এল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে। হাইকোর্টের নির্দেশের পর বহিষ্কৃত হওয়া এই ২৬৯ জন প্রার্থী সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এই মামলার স্থগিতাদেশ দেন। এরপর রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ কর্তৃক এই প্রার্থীদের ফের চাকরিতে যুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

রাজ্যে টেট দুর্নীতি প্রসঙ্গে বহু ঘটনা সামনে এসেছে। কখনও সাদা পৃষ্ঠায় পাশ তো কখনও অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে পাশ। যোগ্যতার নিরিখে চাকরি দেওয়ার বদলে দুর্নীতির অন্ধকারে ঢেকেছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। তেমনই একটি গুরুতর অভিযোগ আসে ২০১৪ র টেট পরীক্ষা নিয়েও। সেখানে জানানো হয়, ২০১৪ র টেট পরীক্ষায় ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীকে অতিরিক্ত এক নম্বর দিয়ে পাশ করানো হয়েছে এবং চাকরিও দেওয়া হয়েছে। যা অন্য সকল পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে হয়নি। এই সকল প্রার্থীরা দ্বিতীয় নিয়োগ তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই ২৬৯ জন প্রার্থীকে কেন অতিরিক্ত নম্বর দেওয়া হলো সে বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে কোনোও সুনির্দিষ্ট জবাব বা প্রামাণ্য নথি দেওয়া হয়নি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বেআইনিভাবে নিযুক্ত এই প্রার্থীদের বহিষ্কারের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুনঃ ২০১৭ টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নম্বর তালিকা

হাইকোর্টের রায় ঘোষণা হবার পরবর্তীকালে এই ২৬৯ জন প্রার্থী চাকরি ফেরানোর আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার স্থগিতাদেশ দেন। সাথে এই প্রার্থীদের হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের কাছে পাঠান। এবং তাঁরা যে বৈধ উপায়ে চাকরি পেয়েছেন তা প্রমাণ করতে বলেন। এরপর ফের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন এই ২৬৯ জন প্রার্থী। রাজ্য সরকার যাতে অবিলম্বে তাঁদের চাকরিতে নিয়োগ করেন ও বেতন শুরু করেন তাঁরই আর্জি জানান তাঁরা। এর কিছুদিন পর নদিয়া জেলার বহিষ্কৃত হওয়া প্রার্থীদের পুনরায় নিয়োগ করা হয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকে। যদিও এবিষয়ে মামলা এখনও চলছে।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ২০১৪ ও ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষার নম্বর নিয়ে জটিলতা ছিলই। সম্প্রতি জটিলতা কাটিয়ে ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষার্থীদের নম্বর তালিকা প্রকাশ পায় পর্ষদের তরফে। তবে এখনও প্রকাশ পায়নি ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার্থীদের নম্বর। যদিও সাংবাদিক বৈঠকে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই প্রকাশ পাবে ২০১৪ র টেট পরীক্ষার্থীদের নম্বর।

Home Breaking E - Paper Video Join